আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বাঁকখালীর তীরে বসতি ও স্থাপনা ভাঙচুর

বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান, পরিচালকসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে রুল জারি

প্রকাশ: ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৮ , আপডেট: ৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১১:৫৯

পড়া যাবে: [rt_reading_time] মিনিটে


Oplus_131072

নিজস্ব প্রতিবেদক:

সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের নিষেধাজ্ঞা থাকা অবস্থায় শহরের কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাঁকখালীর তীরে অবস্থিত বিভিন্ন বসতবাড়ি ও স্থাপনা ভাঙচুর কেন অবৈধ হবে না তা জানতে বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান আরিফ আহমেদ মোস্তফা, ডিসি (সাবেক) সালাহ উদ্দিন, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক একেএম আরিফ উদ্দিনসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে রুল জারি করেছে আদালত।
এডভোকেট আব্দুল খালেক চৌধুরীর মামলার (কনটেমপ্ট পিটিশন নং-৬৪/২০২৫, সিভিল আপিল নং-৩৪৪/২০১৯) শুনানি শেষে গত ১২ জানুয়ারি এই আদেশ দিয়েছেন প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর সমন্বয়ে গঠিত পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চ।
বিবাদীদেরকে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি স্বশরীরে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা প্রদান করতে হবে।
অন্যান্য বিবাদীরা হলেন, অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মো. শহিদুল ইসলাম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মো. নিজাম উদ্দিন আহমেদ, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (সাবেক) নীলুফা ইয়াসমিন চৌধুরী, সহকারি কমিশনার (ভূমি) শারমিন সুলতানা, বিআইডব্লিউটিএর চট্টগ্রাম অফিসের সহকারী পরিচালক কামরুজ্জামান ও কক্সবাজার অফিসের সহকারি পরিচালক মোহাম্মদ খাইরুজ্জামান।
উল্লেখ্য, শহরের কস্তুরাঘাট সংলগ্ন বাঁকখালীর পাড়ে গত বছরের সেপ্টেম্বরে কয়েক দফা উচ্ছেদ অভিযান পরিচালিত হয়। একইভাবে নুনিয়ার ছড়া এলাকাতেও অভিযান চালায় বিআইডব্লিউটিএ।
এই অভিযান ঘিরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে পুরো শহর। সড়ক অবরোধে নেমে আসে নারী পুরুষ। অবশেষে বিক্ষুব্ধ জনতা থামাতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করতে হয়।
এই ঘটনায় পৃথক ৪টি মামলা করেছে বিআইডব্লিউটিএ। যেখানে নিরীহ অনেক মানুষকে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ আছে।
তবে ক্ষতিগ্রস্তদের পক্ষ থেকেও বেশ কয়েকটি মামলা আদালতে চলমান বলে জানা গেছে।